Tuesday, December 1, 2015

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoy

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoyকোন একটি দেশ যখন মাথামোটা, অদুরদর্শী ও অপরিণামদর্শী লোকদের দ্বারা পরিচালিত হয় তখন সেদেশের অবস্থা কি হয় তার ভুরি ভুরি উদাহরন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। আমাদের দেশটিও তাদের মধ্যে গন্য হতে পারে। এই দেশটিতে প্রকৃতি তার সম্পদ উজাড় করে দিয়েছে। তা সত্বেও স্বাধীনতার চুয়াল্লিশ বছর পরেও আমাদেরকে শুকনো ডাঙায় উন্নয়নের জোয়ার খুঁজতে হচ্ছে। এদেশে রোজনীতিকদের মধ্যে সস্তা হাততালি পাবার এক উদগ্র আকর্ষণ রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে এর প্রতিক্রিয়া কি হবে তা না ভেবেই আমাদের নেতারা অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে ও দিয়ে থাকেন। যেমন এই এতটুকু দেশে সবকিছুকে রাজধানীকেন্দ্রিক করলে তার ফল কি হবে তা কারো মাথায় ছিল না বলেই আজ রাজধানী মরনযন্ত্রনায় ধুঁকছে। দেশের পাইকারী ছেলেমেয়েদেরকে এমএ/এমএসসি পাশ হতে হবে এই মুর্খামিপুর্ন একগুঁয়েমির ফসল আজকের এই দুই আড়াই কোটি বেকার যুবসমাজ।সরকারের তথা জনগনের বিপুল পরিমান টাকা ব্যয় করে যাদেরকে উচ্চশিক্ষা দেবার কসরত চলছে তারা জাতিকে কতটা দিচ্ছে তার কোন হিসেব নেই। এদেরকে চাকরী দেবে কারা? দেশে তো সেরকম বিনিয়োগ নেই। সরকারী চাকুরীর এত সুযোগ কোথায়? তাহলে এদর কি হবে? এরা একারনেই এদেশেরদেূষিত রাজনীতির কাাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশে লোকসংখ্যা নিয়ন্ত্রনহীনভাবে বাড়ছে। কিন্তু সরকারগুলো উন্নয়নের ভুয়া বুলি নিয়ে ঢাক পিটিয়েই চলেছে। দেশে দুর্নীতি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কিন্তু তার লাগাম টেনে ধরার মত কেউ নেই। মানুষ সুস্থভাবে বেঁচে থাকবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এভাবেই আজ এদেশ এক জটিল অবস্থার মধ্যে নিপতিত হয়েছে যা হবার কথা ছিলনা। কারন মুক্তিযুদ্ধ ছিল সকল অন্যায়, বঞ্চনা, শোষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে। অথচ আজ সমাজদেহে এসবেরই ভয়ংকর বাস। এ থেকে আশু মুক্তি পাবার কোন উপায়ও দেখা যাচ্ছে না।

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoy

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoyকোন একটি দেশ যখন মাথামোটা, অদুরদর্শী ও অপরিণামদর্শী লোকদের দ্বারা পরিচালিত হয় তখন সেদেশের অবস্থা কি হয় তার ভুরি ভুরি উদাহরন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। আমাদের দেশটিও তাদের মধ্যে গন্য হতে পারে। এই দেশটিতে প্রকৃতি তার সম্পদ উজাড় করে দিয়েছে। তা সত্বেও স্বাধীনতার চুয়াল্লিশ বছর পরেও আমাদেরকে শুকনো ডাঙায় উন্নয়নের জোয়ার খুঁজতে হচ্ছে। এদেশে রোজনীতিকদের মধ্যে সস্তা হাততালি পাবার এক উদগ্র আকর্ষণ রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে এর প্রতিক্রিয়া কি হবে তা না ভেবেই আমাদের নেতারা অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে ও দিয়ে থাকেন। যেমন এই এতটুকু দেশে সবকিছুকে রাজধানীকেন্দ্রিক করলে তার ফল কি হবে তা কারো মাথায় ছিল না বলেই আজ রাজধানী মরনযন্ত্রনায় ধুঁকছে। দেশের পাইকারী ছেলেমেয়েদেরকে এমএ/এমএসসি পাশ হতে হবে এই মুর্খামিপুর্ন একগুঁয়েমির ফসল আজকের এই দুই আড়াই কোটি বেকার যুবসমাজ।সরকারের তথা জনগনের বিপুল পরিমান টাকা ব্যয় করে যাদেরকে উচ্চশিক্ষা দেবার কসরত চলছে তারা জাতিকে কতটা দিচ্ছে তার কোন হিসেব নেই। এদেরকে চাকরী দেবে কারা? দেশে তো সেরকম বিনিয়োগ নেই। সরকারী চাকুরীর এত সুযোগ কোথায়? তাহলে এদর কি হবে? এরা একারনেই এদেশেরদেূষিত রাজনীতির কাাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশে লোকসংখ্যা নিয়ন্ত্রনহীনভাবে বাড়ছে। কিন্তু সরকারগুলো উন্নয়নের ভুয়া বুলি নিয়ে ঢাক পিটিয়েই চলেছে। দেশে দুর্নীতি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কিন্তু তার লাগাম টেনে ধরার মত কেউ নেই। মানুষ সুস্থভাবে বেঁচে থাকবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এভাবেই আজ এদেশ এক জটিল অবস্থার মধ্যে নিপতিত হয়েছে যা হবার কথা ছিলনা। কারন মুক্তিযুদ্ধ ছিল সকল অন্যায়, বঞ্চনা, শোষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে। অথচ আজ সমাজদেহে এসবেরই ভয়ংকর বাস। এ থেকে আশু মুক্তি পাবার কোন উপায়ও দেখা যাচ্ছে না।

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoy

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoyএদেশে সত্যিকথার কোন মুল্য নেই। যেদেশে উচ্চ আদালতে বলা হয় 'ট্রুথ ইজ নো ডিফেন্স' সেদেশে সত্য বেঁচে থাকবে কিভাবে? আরো বিপজ্জনক বিষয়টি হলো যে শিক্ষিত (?) লোকেরা নিজেদের সুবিধামত যেসব কথায় বিশ্বাস করেন সেসব কথা তারা যত অসত্যই হোক পাল্টাতে পারেন না বা পাল্টাতে চান না। এই যেমন যদি কেউ বলে থাকেন যে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এত লোক নিহত বা মারা যান নি। তাকে অবিলম্বে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি বলে আখ্যায়িত করা হবে। কিন্তু প্রকৃত সত্যিটা কি? রাজাকারদের নাকি সংখ্যা চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিভাবে সেটা জানা না গেলেও একটা পরিসংখ্যান হয়ত তৈরী করা হয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কত লোক নিহত হয়েছিল তা কি কখনো নির্নয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল? নেওয়া হয়েছিল কোন প্রচেষ্টা? নাকি বঙ্গবন্ধু একবার বলেছিলেন বলেই সেটা বাইব্লিক্যাল হয়ে পড়েছিল? আজো তো মুক্তিযুদ্ধের সাক্ষ্য দেবার জন্য বহু লোক বেঁচে আছে। কোন সরকারের কি কোন প্রচেষ্টা ছিল সেই সংখ্যাটা জাতীয়ভাবে নির্নয় করার? প্রত্যেক জেলায় ডিসি আছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছে। তাদের মাধ্যমে সেই নিহতদের সংখ্যা বের করা কি কোন অসম্ভব বিষয় ছিল? কিন্তু আমাদের অধিকাংশ আঁতেলরা যেটা তাদের পক্ষে সুবিধাজনক সেটাকেই আঁকড়ে ধরে থেকেছেন, থাকছেনও। সত্য এদেশে সত্যিই অপাংক্তেয়।

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoy

AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoy--এই একটি দেশ যেখানে যত সত্যি, যুক্তিপুর্ন ও উচিত কথাই বলা হোক না কেন, কেউ শুনবেনা। এদেশের মিডিয়াগুলোর ৯৯% আপনার কথার কোন গুরুত্ব দেবেনা যদি না আপনি তাদের ঘনিষ্ঠ কেউ হয়ে থাকেন বা কোন বিশেষ দলের সাথে আপনার সম্পর্ক না থাকে অথবা আপনি কোন বড় মালদার বা ক্ষমতাধর ব্যক্তি না হন। এই আমাদের মত লোক কতদিন ধরে বলে আসছি যে এদেশে পাইকারী উচ্চশিক্ষা হবে একটি জাতীয় অপচয়। যে দেশে কোন বিনিয়োগ নেই, নেই কোন এমপ্লয়মেন্টের সুযোগ সেদেশে পাইকারী এমএ পাশ করে যুবসমাজ এক বিশাল বেকার গোষ্ঠি তৈরী করা ছাড়া আর কোন কিছু করবে না। তারা দেশের অর্থনীতির ওপর এক বিরাট লায়েবিলিটি এবং এদেশের দূষিত রাজনীতির কাঁচামাল ছাড়া আর কিছুই হবে না। বরং এদেশে স্বনিয়োজনের জন্য, বিদেশে কর্মসংস্থান সুগম করার জন্য ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল শিক্ষf একান্ত অপরিহার্য। এজন্য প্রচুর টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান তৈরী করা দরকার। কিন্তু এদেশের এক শ্রেনীর আঁতেল ও মিডিয়া দেশের সবাইকে এমএ পাশ করাতে হবে এই জেদ ধরে বসে আছেন। এদের মনমগজ কোন দিকে কাজ করে বুঝে ওঠা সত্যিই মুশকিল। এজন্যই আজ দেশে বেকারসমস্যা এত বিরাট ও প্রকট আকার ধারন করেছে। এ থেকে মুক্তির উপায় খোঁজা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে। কিন্তু এবিষয়ে কারো সত্যিকার উদ্যোগ আছে কি?

যানজটের কারনে জাতীয় বিপুল ক্ষতি

এক হিসেবে যানজটের কারনে প্রতিদিন কর্মঘন্টার হিসেবে প্রায় হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু এটা থামানোর কোন বাস্তব পরিকল্পনা সরকারের আছে বলে মনে হয় না। যেহেতু এই টাকা সরকারের কারো নয়, জনগনের, তাই যা ক্ষতি হচ্ছে তাতে তো যারা সরকার চালাচ্ছেন তাদের কিছু এসে যায় না। কিন্তু এই শহরে যারা বাস করে তাদের তো জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।এ বিষয়ে নাকি অনেক পরিকল্পনা হচ্ছে।  কিন্তু রাজধানীর যানজট কমানোর বিষয়ে সরকারের বা মেয়রদের কোন পরিকল্পনা কাজে আসবেনা যদি সকল কাজের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই রাজধানীকেই রাখা হয়। যে হারে  প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষের আগমন ঘটছে রাজধানীতে তাতে যতই বহুতল পাকিংপ্লেস, ফ্লাইওভার ইত্যাদি নির্মিত হোক না কেন কোন কাজে আসবে না। সর্বপ্রথম যা করা দরকার সেটা হল প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরন। যার মধ্যে সেক্রেটারিয়েট, শিক্ষা অধিদপ্তর, নৌপরিবহন হেডকোয়ার্টার এবং বিচারালয় - বিশেষ করে হাইকোর্ট বেঞ্চ - বিকন্দ্রিীকরন করা দরকার। এরপর আসে সকল গার্মেন্ট কারখানা ও ট্যানারী রাজধানী থেকে সরানো। বাস টার্মিনালগুলোকে রাজধানীর এন্ট্রি পয়েন্টে নিতে হবে। এগুলো ছাড়া যে কোন পরিকল্পনা ফেল মারতে বাধ্য। কিন্তু সরকার এসব বিষয়ে কোন রকম মাথা ঘামাবে কি? নাকি বায়বীয় উন্নয়ন নিয়েই জনগনকে ঘুম পাড়িয়ে রাখবে? অবশ্য বর্তমানে জনগনের কোন কথা তো সরকারের কানে যাবার কোন রাস্তা খোলা নেই। কারন সত্যিকারের কোন জনপ্রতিনিধি তো নেই। যারা আছেন তারা জনগনের জন্য কি করছেন তাতো জনগন দেখতেই পাচ্ছে। দেশে ভাল কিছুর আশা করা এখন কতটা যুক্তিযুক্ত সেটাই বোঝা কঠিন।

Monday, November 23, 2015

করের টাকায় সরকারি ব্যাংকে মূলধন জোগানো অনৈতিক

করের টাকায় সরকারি ব্যাংকে মূলধন জোগানো অনৈতিক   --- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে দেশের প্রচলিত আইনে, স্বাভাবিক গতিতে। যেভাবে বিচার চলছে তাতে দেশের সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন কোন মানুষের আপত্তি আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এটা নিয়ে যে মাতামাতি চলছে এক শ্রেনীর হুল্লুড়ে লোকের মধ্যে তাতে দেশের অন্য সমস্যাকে ধামাচাপা দেবার একটা সুবর্ন সুযোগ এসে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। এই ডামাডোলে দেশের আর সব অপকর্ম যেন চাপা পড়ে যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে, শেয়ার বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে, খেলাফি খাণ দ্বিগুন হয়ে গেছে, দুর্ধর্ষ খুনীদের মামলা-মোকদ্দমা জনগনের চোখের আড়ালে চলে যাচ্ছে। প্রকট দুর্নীতিকেও আড়াল করে ফেলা যাচ্ছে। সংসদে জনগুরুত্বপুর্ন কোন সমস্যার কোন আলোচনা নেই। মাদকের বন্যাকে এক রকম চোখ ঠারা হচ্ছে। কেন? কাদের স্বার্থে? তবে কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে সকল অপকর্মের বিপক্ষে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে?

করের টাকায় সরকারি ব্যাংকে মূলধন জোগানো অনৈতিক

করের টাকায় সরকারি ব্যাংকে মূলধন জোগানো অনৈতিক</strike> --- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে দেশের প্রচলিত আইনে, স্বাভাবিক গতিতে। যেভাবে বিচার চলছে তাতে দেশের সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন কোন মানুষের আপত্তি আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এটা নিয়ে যে মাতামাতি চলছে এক শ্রেনীর হুল্লুড়ে লোকের মধ্যে তাতে দেশের অন্য সমস্যাকে ধামাচাপা দেবার একটা সুবর্ন সুযোগ এসে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। এই ডামাডোলে দেশের আর সব অপকর্ম যেন চাপা পড়ে যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে, শেয়ার বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে, খেলাফি খাণ দ্বিগুন হয়ে গেছে, দুর্ধর্ষ খুনীদের মামলা-মোকদ্দমা জনগনের চোখের আড়ালে চলে যাচ্ছে। প্রকট দুর্নীতিকেও আড়াল করে ফেলা যাচ্ছে। সংসদে জনগুরুত্বপুর্ন কোন সমস্যার কোন আলোচনা নেই। মাদকের বন্যাকে এক রকম চোখ ঠারা হচ্ছে। কেন? কাদের স্বার্থে? তবে কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে সকল অপকর্মের বিপক্ষে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে?