The prevailing situation all around and also all over the world seems so wierd when I look back a few decades ago to make a comparison. That pains me much. The incongruity and contrast is sometimes so incomprehensible and tragically unacceptable that my whole mind burns in rebellion. But as I can't do anything, so can't I share my feelings with anyone; that's why this monologue.
Tuesday, December 1, 2015
AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoy
AmaderShomoy.Com (আমাদের সময়.কম) Amader Shomoy--এই একটি দেশ যেখানে যত সত্যি, যুক্তিপুর্ন ও উচিত কথাই বলা হোক না কেন, কেউ শুনবেনা। এদেশের মিডিয়াগুলোর ৯৯% আপনার কথার কোন গুরুত্ব দেবেনা যদি না আপনি তাদের ঘনিষ্ঠ কেউ হয়ে থাকেন বা কোন বিশেষ দলের সাথে আপনার সম্পর্ক না থাকে অথবা আপনি কোন বড় মালদার বা ক্ষমতাধর ব্যক্তি না হন। এই আমাদের মত লোক কতদিন ধরে বলে আসছি যে এদেশে পাইকারী উচ্চশিক্ষা হবে একটি জাতীয় অপচয়। যে দেশে কোন বিনিয়োগ নেই, নেই কোন এমপ্লয়মেন্টের সুযোগ সেদেশে পাইকারী এমএ পাশ করে যুবসমাজ এক বিশাল বেকার গোষ্ঠি তৈরী করা ছাড়া আর কোন কিছু করবে না। তারা দেশের অর্থনীতির ওপর এক বিরাট লায়েবিলিটি এবং এদেশের দূষিত রাজনীতির কাঁচামাল ছাড়া আর কিছুই হবে না। বরং এদেশে স্বনিয়োজনের জন্য, বিদেশে কর্মসংস্থান সুগম করার জন্য ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল শিক্ষf একান্ত অপরিহার্য। এজন্য প্রচুর টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান তৈরী করা দরকার। কিন্তু এদেশের এক শ্রেনীর আঁতেল ও মিডিয়া দেশের সবাইকে এমএ পাশ করাতে হবে এই জেদ ধরে বসে আছেন। এদের মনমগজ কোন দিকে কাজ করে বুঝে ওঠা সত্যিই মুশকিল। এজন্যই আজ দেশে বেকারসমস্যা এত বিরাট ও প্রকট আকার ধারন করেছে। এ থেকে মুক্তির উপায় খোঁজা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে। কিন্তু এবিষয়ে কারো সত্যিকার উদ্যোগ আছে কি?
যানজটের কারনে জাতীয় বিপুল ক্ষতি
এক হিসেবে যানজটের কারনে প্রতিদিন কর্মঘন্টার হিসেবে প্রায় হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু এটা থামানোর কোন বাস্তব পরিকল্পনা সরকারের আছে বলে মনে হয় না। যেহেতু এই টাকা সরকারের কারো নয়, জনগনের, তাই যা ক্ষতি হচ্ছে তাতে তো যারা সরকার চালাচ্ছেন তাদের কিছু এসে যায় না। কিন্তু এই শহরে যারা বাস করে তাদের তো জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।এ বিষয়ে নাকি অনেক পরিকল্পনা হচ্ছে। কিন্তু রাজধানীর যানজট কমানোর বিষয়ে সরকারের বা মেয়রদের কোন পরিকল্পনা কাজে আসবেনা যদি সকল কাজের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই রাজধানীকেই রাখা হয়। যে হারে প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষের আগমন ঘটছে রাজধানীতে তাতে যতই বহুতল পাকিংপ্লেস, ফ্লাইওভার ইত্যাদি নির্মিত হোক না কেন কোন কাজে আসবে না। সর্বপ্রথম যা করা দরকার সেটা হল প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরন। যার মধ্যে সেক্রেটারিয়েট, শিক্ষা অধিদপ্তর, নৌপরিবহন হেডকোয়ার্টার এবং বিচারালয় - বিশেষ করে হাইকোর্ট বেঞ্চ - বিকন্দ্রিীকরন করা দরকার। এরপর আসে সকল গার্মেন্ট কারখানা ও ট্যানারী রাজধানী থেকে সরানো। বাস টার্মিনালগুলোকে রাজধানীর এন্ট্রি পয়েন্টে নিতে হবে। এগুলো ছাড়া যে কোন পরিকল্পনা ফেল মারতে বাধ্য। কিন্তু সরকার এসব বিষয়ে কোন রকম মাথা ঘামাবে কি? নাকি বায়বীয় উন্নয়ন নিয়েই জনগনকে ঘুম পাড়িয়ে রাখবে? অবশ্য বর্তমানে জনগনের কোন কথা তো সরকারের কানে যাবার কোন রাস্তা খোলা নেই। কারন সত্যিকারের কোন জনপ্রতিনিধি তো নেই। যারা আছেন তারা জনগনের জন্য কি করছেন তাতো জনগন দেখতেই পাচ্ছে। দেশে ভাল কিছুর আশা করা এখন কতটা যুক্তিযুক্ত সেটাই বোঝা কঠিন।
Monday, November 23, 2015
করের টাকায় সরকারি ব্যাংকে মূলধন জোগানো অনৈতিক
করের টাকায় সরকারি ব্যাংকে মূলধন জোগানো অনৈতিক --- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে দেশের প্রচলিত আইনে, স্বাভাবিক গতিতে। যেভাবে বিচার চলছে তাতে দেশের সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন কোন মানুষের আপত্তি আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এটা নিয়ে যে মাতামাতি চলছে এক শ্রেনীর হুল্লুড়ে লোকের মধ্যে তাতে দেশের অন্য সমস্যাকে ধামাচাপা দেবার একটা সুবর্ন সুযোগ এসে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। এই ডামাডোলে দেশের আর সব অপকর্ম যেন চাপা পড়ে যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে, শেয়ার বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে, খেলাফি খাণ দ্বিগুন হয়ে গেছে, দুর্ধর্ষ খুনীদের মামলা-মোকদ্দমা জনগনের চোখের আড়ালে চলে যাচ্ছে। প্রকট দুর্নীতিকেও আড়াল করে ফেলা যাচ্ছে। সংসদে জনগুরুত্বপুর্ন কোন সমস্যার কোন আলোচনা নেই। মাদকের বন্যাকে এক রকম চোখ ঠারা হচ্ছে। কেন? কাদের স্বার্থে? তবে কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে সকল অপকর্মের বিপক্ষে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে?
Subscribe to:
Posts (Atom)