প্রবাদ আছে জ্ঞান ও অর্থ দুটো পরষ্পরবিরোধী বস্তু। তবে জ্ঞানীর কাছে অর্থ থাকলে তা বিচক্ষণতার সাথে ব্যয় হয়; কিন্তু জ্ঞানহীন অর্থবানের অর্থ অপব্যয় ও অপচয়ের মধ্যেই ব্যয়িত হয়। জ্ঞানী জানেন কিভাবে অর্থ ব্যয় করলে সর্বাপেক্ষা কম ব্যয়ে সবচেয়ে বেশী ফলোৎপাদিত হবে। ঠিক একইভাবে দেশের সরকারের মধ্যে অর্থ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ যদি জ্ঞানী ও বিচক্ষণ হন, তবে পাবলিকের ট্যাক্সের টাকা বিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতার সাথে ব্যয়িত হয়ে জনগনের ব্যপকতর কল্যান বয়ে আনতে পারে। কিন্তু অদুরদর্শী ও অপচয় পরায়ন অর্থমন্ত্রীগন পাবলিকের টাকাকে যেহেতু নিজের পৈত্রিক সম্পদ বলে মনে করেন তাই তাদের ব্যয়ের কোন সীমা সচরাচর থাকে না। এজন্যই দশ টাকার স্থলে একশ’ টাকা ব্যয় হয়, আর সেটাও টেকসই হয় না। তবে এসবের সাথে যেটা অত্যাবশ্যক শর্ত সেটা হলো নিখাদ দেশপ্রেম। কেবল দেশপ্রেমের গান গেয়ে গলা না ফাটিয়ে যিনি সত্যি সত্যিই দেশকে নিজের মায়ের মতই ভালবাসেন, তিনি কোন অবস্থাতেই দেশের ও জনগনের স্বার্থর সাথে আপোষ করতে পারেন না। বর্তমানে বিশ্বে যে সব দেশ সর্বাধিক জনপ্রিয়, প্রকৃতই ওয়েলফেয়ার স্টেট’ সে সব দেশের শাসকদের কর্মকান্ড ও আচার-আচরন দেখে সেটাই মনে হয়েছে।
আরেকটা কথা খুবই গুরুত্বপুর্ন মনে হয়েছে। শাসনকার্য পরিচালনায় হৃদয়াবেগের চাইতে মস্তিষ্কের ব্যবহার অনেক অনেক বেশী গুরুত্বপুর্ন ও অত্যাবশ্যক। আইন-কানুনের যথাযথ ও সঠিক প্রয়োগের কোন বিকল্প নেই। ‘আপন ছেলে সোনাটি আর পরের ছেলে বানরটি’ - এই নীতি নিয়ে চললে কোন শাসকই দেশ ও জনগনের কল্যান সাধন করতে পারে না। শাসকদের তাই কোন দলের নয় বরং দেশের সকলের হতে হয়। তবে স্বৈরশাসকদের কথা একেবারেই আলাদা।
The prevailing situation all around and also all over the world seems so wierd when I look back a few decades ago to make a comparison. That pains me much. The incongruity and contrast is sometimes so incomprehensible and tragically unacceptable that my whole mind burns in rebellion. But as I can't do anything, so can't I share my feelings with anyone; that's why this monologue.
Thursday, February 7, 2019
শিক্ষা ও আমরা
শিক্ষা ব্যবস্থার হাল নিয়ে যত সব কথাবার্তা হয়েছে তা একত্র করলে একটা নয় বোধহয় ডজনাধিক মহাভারত হয়ে যাবে। কিন্তু যারা এর মাথায় বসে আছেন তাঁরা চলনে-বলনে আধুনিকতার দাবী করলেও মন-মানসিকতায় সেই বৃটিশ আমলেই পড়ে আছেন। শিক্ষা যে কেবল সার্টিফিকেট প্রদানের বা নিছক বানিজ্যের বিষয় নয় সেটা তারা জেনেও বুঝতে চান না। বর্তমান শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে তারা যে সিলেবাস (অন্ততঃ মাধ্যমিক পর্যায় অবধি) প্রনয়ন করেছেন, সেটা সব মিলিয়ে অন্ততঃ সাড়ে তিন থেকে চার হাজার পাতার বিরাট ভলিউম, যার ভার শিক্ষার্থীদেরকে বহন করতে হচ্ছে। আরো চমকপ্রদ বিষয় যে একই বিষয় বা আইটেম ৫/৬ বছর ব্যপী পড়তে হচ্ছে। উদাহরন স্বরূপ বলা যায় যেমন মাতৃভাষা। এই বিষয়ে ’ব্যাকরন কাকে বলে’ এই প্রশ্ন থেকে ন-ত্ব ও স-ত্ব বিধান, সন্ধি, কারক, সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয় ইত্যাদি প্রায় ৪র্থ থেকে এসএসসি পর্যায় অবধি পড়তে হচ্ছে। চিঠিপত্র, রচনা বা নিবন্ধ লিখনেও ৬/৭ বছর ব্যয় করানো হচ্ছে। অথচ এসব বড়জোর বছর দুয়েকের মধ্যে সীমিত করা যেত। কারন ঐ ৬/৭ বছরই মুখস্থ বিদ্যার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে যা শেষ বিচারে কোন কাজে আসেনা। কারন এতে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ভাবনা-চিন্তা বা ধারনা প্রকাশের কোন অবকাশ সেখানে নেই। এক্ষেত্রে দরকার ছিল একটি চিঠি, দরখাস্ত বা রচনা/নিবন্ধ লেখার ফরম্যাাট বা পদ্ধতি কি হওয়া উচিত, সেটা শেখানো। মাতৃভাষা শিখতেই যদি শিক্ষাজীবনের অর্ধেক ব্যয় হয় তবে আরো দরকারী নতুন বিষয়ের জন্য কতটুকু বাকী থাকে?
সামাজিক বিজ্ঞানের অনেক বিষয় ৫ম থেকে ৭ম শ্রেনী পর্যন্ত বাংলা ভাষার পাঠ্যপুস্তকে গল্পচ্ছলে সন্নিবেশিত করে পাঠদান ও শিক্ষনকে আরো মনোগ্রাহী করে তোলা যেত। এর মধ্যে অনেক বিষয় রোল-প্লে ও ডেমনস্ট্রেশনের মাধ্যমে শেখানো গেলে তা শিক্ষার্থীদের মনে কেবল মুখস্থ করার চেয়ে অনেক স্থায়ীভাবে বসে যেত।
এছাড়া সামাজিক শিক্ষা এবং ধর্ম বিষয়ের মৌলিক বিষয়গুলির জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর সময় নির্ধারিত করা যেত। মুসলমান শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় জ্ঞান লাভের জন্য ২য় থেকে ৪র্থ শ্রেনীর মধ্যে আরবী পড়ার সক্ষমতা অর্জন করা এবং ধর্মের মৌলিক বিষয়গলি শেখানো খুবই সহজ হতে পারত। পরবর্তীতে ৫ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ধর্মীয় ও নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক প্রবন্ধ, গল্প ও কাহিনী ইত্যাদি সন্নিবেশিত করে ধর্মীয় জ্ঞানের বাস্তব এবং প্রায়োগিক দিকগুলোকে দেখানো ও শেখানো অনেক বেশী কার্যকর হতে পারত।
মোদ্দা কথা আমাদের মাধ্যমিক পর্যায়ের সিলেবাসে কেবল ’বুকিশ’ কর্মকান্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না করে অন্ততঃ এক তৃতীয়াংশ সময় হাতে কলমে বা fieldwork/excursion মাধ্যমে শেখানোর ব্যবস্থা রাখা জরুরী ছিল। আমাদের শিক্ষকদের অনেকেই হয়ত ভুলে গেছেন যে ’We read, we forget but we do we learn.’ পড়ে মেমরী বা স্মৃতিতে ধারন করতে হয়; কিš ‘ memory is forgetful (স্মৃুতি বিস্মরণপ্রবণ)। তাই হাতেকলমে শেখাটা জীবনে ভোলা যায় না।
এছাড়া বর্তমানে শহর গ্রামের অলিতে গলিতে স্কুল নামের গো-শালা গড়ে উঠেছে যেখানে কোন খেলার মাঠ নেই, কোন লাইব্রেরী নেই। সেখানে পাঠদানের নামে কি হচ্ছে সেটা একটি কার্টুনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছিল যেখানে দেখা যায় একজন শিক্ষিকা বলছেন যে স্কুল থেকেই বই-পুস্তক, খাতা-পেন্সিল, ইউনিফর্ম, স্কুলব্যাগ সব কিছুই পাওয়া যাবে বা কিনতে হবে। ’তো পড়াশোনা কোথা থেকে পাওয়া যাবে?’ অভিভাবকের প্রশ্ন। ’ওটা আপনাকে প্রাইভেট টিউশন থেকে নিতে হবে।’ শিক্ষিকার উত্তর। হ্যাঁ, এটাই হচ্ছে বর্তমানের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বরূপ। এর ফলশ্রুতিতে বাচ্চারা এখন একেবারেই ব্রয়লার মুরগীর মতই বেড়ে (?) উঠছে। তাদের ৮০%-এরই ফিজিক্যাল ফিটনেস এবং ইম্যুনিটির মান কতটুকু সেটা হাসপাতালে ও ক্লিনিকে বাচ্চাদের ভিড় দেখেই বোঝা যায়। এজন্যই বোধহয় ম্যাকলে সাহেব স্কুলে খেলার মাঠ থাকার বিষয়টাকে অপরিহার্য্য বলে শিক্ষানীতিতে সংযোজন করেছিলেন।
মোটকথা একজন শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তার পুরো শিক্ষাজীবনকে ব্যয় করতে হবে, এটা কি কোন যুক্তিসঙ্গত ব্যাপার? আমরা কি এখনো মধ্যযুগ পার হতে পারিনি? যেখানে প্রতিদিন নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সামনে আসছে, যেখানের আজকের জানা বিষয় আগামী কালই পুরানো হয়ে যাচ্ছে, সেখানে মান্ধাতার আমলের শিক্ষাব্যবস্থা আমাদেরকে কত যুগের পর উন্নত করতে পারবে? আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারীদের বিশাল সংখ্যায় বেকারত্বও কি আমাদের দেশনেতাদের কোন রকম চৈতন্যোদয় ঘটাতে পারে নি? ----৩০/০১/২০১৯ইং
--এম, শওকত আলী; প্রধান শিক্ষকক (অবঃ)
Tuesday, February 5, 2019
সরকারের রাজস্ব আয়বৃদ্ধি এবং আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি
আমাদের অর্থমন্ত্রী মহোদয়গন সর্বদাই সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর জন্য আয়করদাতাদের সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তা করেন। তারা বলে থাকেন টিআইএন ধারীদের সংখ্যা ৩৪/৩৫ লাখ হলেও প্রকৃত করদাতাদের সংখ্যা নাকি ১৩/১৪ লাখের মত। এছাড়া এদের মধ্যে অবসরভোগীরাও অন্তর্ভুক্ত কারন তাদের কষ্টার্জিত সম্বল ব্যাংক আমানতের উপরও তাদের শ্যেনদৃষ্টি আছে। তাদের হিসাবে প্রাপ্য দু’চার পয়সা লাভের উপরও সরকার ভাগ বসায়। তবে আয়করদাতাদের সংখ্যার বিষয়ে তাদের কথার যথার্থতা থাকলেও মানুষ কেন কর দিতে আগ্রহী হয় না সে বিষয়ে এন্তার কথাবার্তা আছে। উন্নত দেশগুলোতে মানুষ কর দিতে মোটেই পিছপা হয় না কারন তারা জানে যে তাদের দেওয়া করের টাকা সরকার সঠিকভাবে ব্যয় করবে, অপচয় অপব্যয় করবেনা। তারা জানে সরকার তাদের নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে; তারা প্রয়োজনে তাদের ন্যায্য প্রাপ্য সেবা ও সঠিক বিচার পাবে। এদেশে কি এর কোনটা আছে? প্রতিটা সেবার জন্য অতিরিক্ত পয়সা ব্যয় করতে হবে তথা ঘুষ/উপরি দিতে হবে। সরকার নির্ধারিত প্রাপ্য সেবা পেতে হলে বহু কাঠখড় পোড়াতে হবে, পায়ের ঘাম মাথায় তুলতে হবে। আয়কর নির্ধারনের বেলায়ও কর কর্মকর্তাদের ’খুশী’ করতে হবে। রাস্তায় চলতে নিরাপত্তা নেই, বেঘোরে প্রান হারাতে হতে পারে হয়ত গাড়ীর চাপায়, খানা-খন্দে পড়ে নয়ত লঞ্চ ডুবিতে। রাস্তাঘাট শত বা হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে কিন্তু বছর না ঘুরতেই তা আবার মেরামত করতে হবে। বিল্ডিং নির্মিত হবে কিন্তু তা হয়ত রডের বদলে বাঁশ, সিমেন্টের বদলে বালি দিয়ে যা শ্রমিকদের মাথার উপরই হয়ত ধ্বসে পড়বে। দোকান-পাটে মালে ভেজাল ওজনে কম, ওষুধে পর্যন্ত ভেজাল আবার মাসে মাসে ব্যাখ্যাহীন অযৌক্তিক মুল্যবৃদ্ধি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার নেই সেই ’কাজীর গরু খাতায় আছে গোয়ালে নেই’-এর মত। বিচার পেতে ২/৩ পুরুষ কেটে যাবে তবু মামলা-মোকদ্দমা - তা সে ভুয়া হলেও - শেষ হবে না, তারিখের পর তারিখ পড়তে থাকবে। আর এ সবই হবে সরকারের নাকের ডগায় কিন্তু কোন প্রতিকার? সে দুর অস্ত!
অথচ এ সবের অনেক কিছুই নিরাময় করা সম্ভব। তবে সেটা সরকারের সদিচ্ছার উপরই নির্ভর করে। মাথাপিছু আয়কর নিয়ে মাথা গরম না করলেও অন্যবিধ উপায়ে আয় বাড়ানো হয়ত সম্ভব এবং আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতিও সম্ভব। এ বিষয়ে আমাদের মত আম পাবলিক কি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় বা বিভাগে নি¤œলিখিত কিছু প্রস্তাব রাখতে পারে?
ক. দেশের আনাচে কানাচে দোকান, মেরামতি ওয়ার্কশপ (মটর গ্যারেজ, ওয়েল্ডিং, ইলেক্ট্রনিক দ্রব্যাদি, ক্ষুদ্র যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), বিভিন্ন প্রকারের মটরগাড়ীর বডিমেকার, গ্রোসারীসহ ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুইটমিট শপ, জুয়েলারী শপ ইত্যাদি কম্পিউটার ডাটাবেজে এন্ট্রিকরন এবং তাদের নির্দিষ্ট আইডি নং রেজিস্ট্রিকরন ;
খ. সকল হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেডিক্যাল স্টোর, ডাক্তারদের চেম্বার, হেলথ সেন্টার, জিম ইত্যাদি ডাটাবেজে এন্ট্রিকরন ও তাদের নির্দিষ্ট আইডি নং রেজিস্ট্রিকরন;
গ. সকল প্রকার মটর যান ক্যাটিগরীওয়াইজ ডাটাবেজে এন্ট্রিকরন ও আইডি নং রেজিস্ট্রিকরন;
ঘ. সকল রকমের মোটরযান মালিক ও চালকের ব্যক্তিগত তথ্যাদি ডাটাবেজে এন্ট্রিকরন এবং তাদের নির্দিষ্ট আইড নং রেজিস্ট্রিকরন;
ঙ. প্রত্যেক শহর/নগরে চলমান রিকশা এবং তার চালকদের তথ্যাদি ডাটাবেজে এন্ট্রিকরন এবং তাদের নির্দিষ্ট আইডি নং রেজিস্ট্রিকরন। একইভাবে সকল হকারদেরকেও ডাটাবেজের আওতায় আনয়ন;
চ. প্রত্যেক বাড়ী/ফ্লাট/প্লট মালিকদেরকে ডাটাবেজের আওতায় এনে তাদের তথ্যাদি এন্ট্রিকরন এবং তাদের জন্য নির্দিষ্ট আইডি নং রেজিস্ট্রিকরন।
বর্তমানে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রকৃত সফল পদক্ষেপ হিসেবে এসব করা অবশ্যই সম্ভব এবং এগুলো করা গেলে এর থেকে সরকার নি:র্ধারিত যৌক্তিক হারে নির্দিষ্ট ফিস আদায় করা হলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় প্রভুত বাড়বে তেমনি যানবাহন চুরি- ছিনতাই -ডাকাতি-, বেআইনী বেচাকেনা ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট অপরাধমুলক কর্মকান্ড তথা আইন-শৃংখলা অবস্থারও পজিটিভ উন্নতি সম্ভব হবে।
উপরোক্ত বিষয়গুলির জেলাভিত্তিক ম্যানেজমেন্ট অবশ্যই সম্ভব এবং তাতে পুরো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার গতি-প্রকৃতি সরকারের নজরে থাকবে এবং সফলভাবে রাস্ট্র পরিচালনায় গতি সঞ্চার হবে বলেই বিশ্বাস। --০৬/০২/২০১৯ইং
--এম, শওকত আলী; প্রধান শিক্ষক (অবঃ)
Subscribe to:
Posts (Atom)