The prevailing situation all around and also all over the world seems so wierd when I look back a few decades ago to make a comparison. That pains me much. The incongruity and contrast is sometimes so incomprehensible and tragically unacceptable that my whole mind burns in rebellion. But as I can't do anything, so can't I share my feelings with anyone; that's why this monologue.
Monday, October 8, 2018
তারা মানুষকে আর মানুষ মনে করে না।
রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেছেন, ‘এ দেশের রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, বড় বড় আমলা, বিচারপতি পুলিশের আইজি, সেনাবাহিনী প্রধান, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারী, কেবিনেট সেক্রেটারী, সচিব এবং এই ধরণের যারা আছে তারা একটু বড় হইয়া গেলে, নামিদামি হয়ে গেলে, মানুষকে আর মানুষ মনে করে না। এটা একদম ঠিক না। মানুষকে মানুষ মনে করতে হবে এবং জনগনের প্রতিনিধি যারা তাদেরকে আরো বেশি মানুষকে মানুষ মনে করতে হবে। কারণ জনগনের ভোটেই তারা প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। জনগনের ভোটে প্রতিনিধি হইয়া তাদের উপরেই আবার মাতাব্বরি দেখাইবা বেডাগিরি দেখাইবা এটাতো হতে পারে না। জনগনের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে।’ --- দৈনিক নয়া দিগন্ত। মহামান্য রাসট্রপতির এসব কথার সাথে নীতিগতভাবে দ্বিমত করার কোন সুযোগ নেই। তবে প্রশ্ন হচ্ছে কারা জনগনকে পরোয়া করবে? তাদেরকে মানুষ মনে করবে? যারা মনে করেন যে ক্ষমতায় আসার জন্য পাবলিকের ভোট তাদের না হলেও কোন সমস্যা নেই, যারা মনে করেন যে পাবলিকের টাকায় বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা আকন্ঠ ভোগ করলেও তারা তাদের প্রজা ছাড়া আর কিছু নয়, তারা জনগনকে মানুষ মনে করবেই বা কেন? মহামান্য রাস্ট্রপতি এই যে সদ্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিলে স্বাক্ষর করলেন, এর বিরুদ্ধে জনমতকে তিনি কি যথাযথ গুরুত্ব দিতে পেরেছেন? তাকেও তো এক ধরনের 'লাইনে' পড়েই নিশ্চয়ই ঐ বিলে স্বাক্ষর দান করতে হয়েছে। জনগনের আবেগ অনুভুতি বা আপত্তি কোন গুরুত্বই পায়নি। তাই এদেশে বলা সহজ অনেক কিছুই, কিন্তু তার বাস্তব রুপ দেওয়াটা খুবই কঠিন। কারন আমাদের মনমানস সে রকমই যেমন সেই আবু হোসেনের এক দিনের খলিফাগিরি-তে দেখেছি। গরীব আবু হোসেনের পুর্বের অবস্থা ভাল থাকলেও প্রচুর অপব্যয় তাকে গরীবই করে ফেলেছিল। অনেক আক্ষেপ করে সে বলছিল একবার খলিফা হতে পারলে সে অনেক কিছুই করতে পারত। খলিফা হারুনুর রশীদ তাঁর নিয়মিত নৈশভ্রমনকালে আবু হোসেনের এই উক্তি শুনে তাকে কৌশলে প্রাসাদে নিয়ে আসেন। তাকে একদিনের জন্য খলিফা হিসেবে ক্ষমতা দান করেন। আবু হোসেন ভাবতেই পারেনি এরকম কিছু হতে পারে। রাত্রে সে জাগ্রত হয়ে তার কামরা ও তার চাকচিক্য আসবাব ইত্যাদি দেখে তার মাথা বিগড়ে যায়। সে খাপ থেকে তলোয়ার বের করে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। তার উন্মাদের মত কোপাকুপিতে বিছানার গদী, বালিম, ঘরের পর্দা ইত্যাদি কেটে যা তা অবস্থা হয়ে যায়। এই যে অবস্থা, এটার সাথে আমাদের 'হঠাৎ-নবাবদের' কি খুব বেশী গরমিল আছে?হঠাৎ-নবাবেরাও তাদের 'মেন্টাল ব্যালান্স' ঠিক রাখতে পারেনা। তাই তাদের কাছে ন্যায় ও ৗচিত্যবোধ আশা করা যায় না।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment