গণপূর্ত অধিদফতরে বদলি আতঙ্ক--অভিযোগ ওঠেছে, এসব বদলির বেশির ভাগই হচ্ছে আর্থিক লেনদেনে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের মেয়াদ সরকারের মেয়াদের সাথে সাথেই (ডিসেম্বর) শেষ হচ্ছে। যে কারণে, প্রধান প্রকৌশলী মো: রফিকুল ইসলাম বাণিজ্য করে নিজের পকেট ভর্তি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে থাকা কর্মকর্তাদের ঢাকায় বড় বড় প্রকল্পের দায়িত্বে নিয়ে আসা হচ্ছে। আবার অনেকের পোস্টিং দিচ্ছেন তাদের পছন্দ অনুযায়ী মন্ত্রিপাড়া, সংসদ, গণভবন, বঙ্গভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। আর এসব পদ ফাঁকা করতে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কর্মরতদের সরিয়ে দিচ্ছেন অন্যত্র। শুধু টেন্ডারে অনিয়ম ও জালিয়াতি করেই তিনি সরকারের কয়েক শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপরের সংবাদ প্রতিবেদনের অংশবিশেষ আজকের দৈনিক নয়া দিগন্তে প্রকাশিত হয়েছে। ঐ প্রতিবেদনেই প্রকাশ এই রমরমা দুর্নীতির কায়কারবার কেবল আজকারের নয়, বেশ অনেক দিন থেকেই চলছে। প্রশ্ন জাগে, এই গনপূর্ত ভবনটি তো দুদক-এর দপ্তর থেকে হাজার মাইল দুরে নয়। তাহলে এখানে এই যে দুর্নীতির মচ্ছব চলছে এ বিষয়ে তারা কি কেবল ঘুমিয়েই আছেন নাকি ভান করে আছেন? দীর্ঘ সময় ধরে এই রাজধানীরই একটি দপ্তরে দুর্নীতির মচ্ছব চলবে আর তারা তাকে পাশ কাটিয়ে কবিরোধী দলের কে ছোটখাট দুর্নীতি করছে তার পেছনে সর্বশক্তি নিয়োগ করবে এটা একটা স্বাধীন গনতান্ত্রিক দেশে, যেখানে সরকার গর্ব করে বলে যে এখানে 'আইনের শাসন বহাল আছে, - সেখানে চলে কিভাবে? দেশে কি দুর্নীতির মচ্ছব এবাবেই চলবে? লাখো কোটি টাকার খান খেলাপীদেরকে কিছু বলা যাবে না। লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার কারীদের কিছু করা যাবে না। এভাবেই দেশ চলবে? এর পরও ভাবতে হবে দেশ ঠিক ভাবেই চলছে?
No comments:
Post a Comment